বুধবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২১

সুবিধাবঞ্চিতদের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগিতে স্বপ্নের সোনারগাঁ

 গুনে গুনে এমন ৩০ জন ছেলে-মেয়ের সাথে ৩০ জুলাই ২০২০ তারিখে স্বপ্নের সোনারগাঁ পরিচিত হয়েছে।

এদের কারো বাবা নেই, কারো আবার মা নেই।
আবার কারোও কারোও বাবা এই ক্রান্তিকালীন সময়ে কর্মহীন, অক্ষম হয়ে বাসায় বসে ছিলেন ।

এই বয়সটা আমরাও কাটিয়ে এসেছি, কাজেই ঈদের আমেজটা এই বয়সের ছেলে-মেয়েদের মনের ভেতর কতটা শিহরণ জাগায় সেটা আমরা জানি।




সেই সকাল থেকে, সারাটা দিন কাটিয়েছে স্বপ্নের সোনারগাঁ এর সমাজকর্মীরা এদের সাথে।
এই যে ছবিতে দেখছেন নতুন জামা পড়ে খিলখিল করে হাসছে, এ হাসিগুলোই ছিলো আমাদের আকাঙ্ক্ষিত বস্তু।
এই হাসিগুলোর জন্যই চেষ্টা করেছিলো সমাজকর্মীরা সারাদিন।
গত ২৯শে জুলাই রাতে স্বপ্নের সোনারগাঁ গ্রুপ এডমিন আবুল হাসনাত আচমকা টাকা পাঠিয়ে বলে দিলেন হাসি কিনে প্যাকেটজাত করে বিলি করতে হবে হাসিহীন কিছু সম্ভাবনাময় মুখের মাঝে।

এরপরই কেউ বা নিজের ও পরিবারের ঈদের শপিং করার সময়টুকু আবার কেউ আরাফার দিনের রোজা মুখে নিয়েই হাসি প্যাকেট করতে নেমে গিয়েছেন।
৫/৬ বছর যাবত ঈদ টা কে কেন জানি আর আগের মত ঈদ ঈদ মনেই হতো না।
ঈদ আসলেই ডিপ্রেশনে থাকি অনেকেই।




তবে গত ৩০ জুলাইয়ের দিনটা বদলে দিলো আমাদের গত ৫/৬ বছরের ডিপ্রেশন।
ঈদের আমেজটা সে বার আগের মতোই পেয়েছি।

এই ক্রেডিট পুরোটাই স্বপ্নের সোনারগাঁ পরিবারের ও সেদিন যাদের নিয়ে জীবনের কিছু সেরা মুহুর্ত কেটেছে সবার, সেই শিশুগুলোর।

ফেরার পথে আমাদের সামর্থের সংকুলানের কারণে, উপহার না পাওয়া কয়েকজন গম্ভির চেহারায় মনমরা হয়ে তাকিয়ে ছিলো।

তাদেরকে কিছু না দিতে পারলেও,
কাধে হাত রেখে আশ্বাস দিয়ে এসেছি,
"আরে ব্যাটা, মন খারাপ করিস কেন? আমরা আবার আসবো "

হ্যা, স্বপ্নের সোনারগাঁ আবার যাবে, আবার মিশবে তাদের সাথে।

চাইলে আপনিও যেতে পারেন, হাড়িয়ে ফেলা ঈদ আনন্দটাকে আবার ফিরে পেতে চাইলে কিছুটা সময় কাটিয়ে আসতে পারেন তাদের সাথে।
কথা দিলাম, ছোটবেলায় কাটিয়ে আসা সেই ঈদের আমেজ আবার ফিরে পাবেন।

চাইলে আমাদের সাথেও যেতে পারেন।

আমরা তো সবসময়ই বলি,
সব বাধা ছাড়িয়ে, হাত দাও বাড়িয়ে...

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন